সেই সকাল ১১টা থেকে হেঁটে হেঁটে কোমর থেকে পায়ের আঙুলগুলো পর্যন্ত ব্যথায় টনটন করছে। গায়ের তেলচিটচিটে নীলচে ব্লাউজটা ঘামে ভিজে আবার শরীরের তাপেই শুকোচ্ছে। কাঞ্চননগরের এক বাড়িতে দু গ্লাস পানি খেয়েছিল, এছাড়া সন্ধে পর্যন্ত পেটে আর কিছুই যায়নি। কোথায় খুঁজতে বাকি রেখেছে পাগলাকানাই, পবহাটি, বড়াতলা, ভুটিয়ারগাতি- এমনকি ৮-৯ কিলো দূরে সেই গোয়ালপাড়া খোয়াড় পর্যন্ত। কোথাও পাটিদুটোর সন্ধান নেই। ওরা সবসময় একসাথেই থাকে, দেখতেও একরকম। ডান কানের পিছনে ঘাড় পর্যন্ত সাদা দাগ আছে দুটোরই। নানা কথা শুনে-মেলে লোকে খালি খালি সময় নষ্ট করে, পুরুষলোকেরা ড্যাব ড্যাব চোখে শরীরের দিকে তাকিয়ে থেকে সায়রার সাথে রসিকতা করারও সুযোগ খোঁজে। ‘কী ছাগল, পাটি ধাড়ি না খাসি?’
‘পাটি’
তালি মনে হয় পাঠার কাছেই গেছে। তুমি মনে হয় সুমায়মত নেও নি।’
কিন্তু বাজে রসিকতা পর্যন্তই; জোড়াপাটির সন্ধান কেউ দিতে পারে না। কেবল কি হাঁটা, ভ্যান ভাড়া টেম্পু ভাড়াও গিয়েছে ২৫-৩০টাকা। পাটি ছাগল হলেও ওদের চেহারা খাসির মত চকচকে।ওদেরকে জবাই দিলে কসাইরা খাসি বলেই মাংস বেচবে। গত পরশুই নাছির দালাল বাড়ির উপর এসে দুটোর পাঁচ হাজার দাম করে গিয়েছে। সায়রা জানে হাটে নিলে ছয় হাজার টাকার কম হবে না। আল্লার দুনিয়ায় মানুষের মত ছাগলেরও একই কপাল মেয়ে বলে পুরুষের মত দাম নেই। তবু ছাগলের ভাগ্য ভাল গায়ের রঙ সাদা বা কালোর জন্যি মেয়েমানুষের মত তার দামে হেরফের হয় না। সায়রা বা তার বর খুব বেশি কাল না হলেও তার মেয়েটা হয়েছে কুচকুচে কাল।
সায়রা জানে এ মেয়ে পার করতে তাদের খবর আছে। আজকাল একজন মুটেমজুর, রিক্সাঅলাও কালমেয়ে শুনলে নাক সিঁটকায়। সায়রা তাই এক বছর আগে থেকেই বদনা সাইজের একটা মাটির ব্যাংক কিনে মেয়ের জন্য পয়সা জমাতে শুরু করেছে । সায়রার ৯ বছরের মেয়ে তাহেরাও আজ সকাল থেকে ঘুরছে মায়ের সাথে সাথে। দুপুর গড়ানোর পর থেকেই সে বলে আসছে, ‘মা, বাড়ি চল। ও ছাগল আর খুঁজে পাওয়া যাবে না। এতক্ষণ ২-৩ হাত বদলায়ে কনে চলে গিয়েচে তার ঠিক আছে! মানষি জবই করে খেয়েও ফেলতি পারে। বাড়ি চল মা, খিদেয় আমার পেট ব্যতা করচে।’ সায়রা আঁচলের গিঁট খুলে দুটো টাকা মেয়ের হাতে দিয়েছিল ঝালমুড়ি কিনে খেতে।
মোট চারটে বাড়িতে ঠিকা ঝিয়ের কাজ সায়রার। বাড়িওয়ালারা এতক্ষণ তার কোন খোঁজখবর না পেয়ে নিশ্চয়ই গালিগালাজ জুড়ে দিয়েছে। কাজ না-থাকে না থাক, পরের মাসে নতুন বাসা ঠিক করে নেবে- দুতিন শ টাকা দিয়ে তো সব মাথা কিনে নেয় নি। এত দামের একজোড়া ছাগল সে হেলায় হারাতে পারে না। বাচ্চাদুটো তারই হাতে বড়, ঠিকমত দুধ ছাড়ার আগেই তাহেরার বাপ ওদের মাকে বেচে খেয়েছে। তারপর কাঁচের বোতলের মুখে রবারের বোট লাগিয়ে তার ভেতর গরুর দুধ ভরে কতদিন খাইয়েছে সায়রা। ওরা এখন কত বড়- স্তনের বাটও বড় হয়েছে, কদিন পরই ডাকবে, তখন কুড়ি-কুড়ি চল্লিশ টাকা দিয়ে ওদের গাছা দিয়ে আনতে হবে।
এবার সায়রা তলপেটে ব্যথা অনুভব করে। সে ভুলেই গিয়েছিল সদর হাসপাতালে তার জরায়ুর অপারেশন হয়েছে বছরও হয়নি। ভারী কাজ, বেশি হাঁটাহাঁটি তার নিষেধ। কিন্তু সে বসে থাকলে ছাগল খুঁজে এনে দেবে কে? ঘরের পুরুষ মানুষ বলতে তাহেরার বাপ সেই সকালেই কাজে বেরিয়েছে, কোন পাড়ায় তা জানার উপায় নেই; আর ছেলের বয়স তো ছয়ও হয়নি।
পশ্চিম আকাশ লালচে হয়ে উঠেছে, মাগরিবের আজান হতে আর বাকি নেই। ধান ক্ষেতের আইল ধরে উস্কোখুস্কো চেহারায় মা-মেয়ে শেষে বাড়ির দিকেই এগুচ্ছিল। কোমরের নিচ থেকে সায়রার শরীরে যেন কোন বলশক্তি নেই। তার মনে হচ্ছিল আইলের ওপর পা মেলে বসে খানিক শব্দ করে কেঁদে নেবে। তবে তার পরিবর্তে বিড়বিড় করে সে সম্ভাব্য চোরদেরকে অভিশাপ দিতে থাকে ‘বেজন্মা নটীর ছেলেগের উচিৎ শাস্তি যেন আল্লাই দেয় আমার ছাগল বেচা পয়সা যার পেটে যাবে সে যেন গলা দিয়ে রক্ত উঠে মরে!’
সে-সময় তাহেরা বলে ওঠে, ‘মা এই রাস্তা দিয়ে আলি ক্যা। পাকা রাস্তা ধরে ভ্যানে চড়ে আসতাম। পা দুডো ব্যতা বিষ। ’
জবাবে সায়রা চেঁচিয়ে ওঠে, ‘তোর বাপ তো আমার আঁচল ভর্তি টাকা দিয়ে দিয়েচে যে তুমার আমি চ্যানাচুর ভাজা খাওয়াব আর গাড়িতি ঘুরয়ে নিয়ে বেড়াব।’
‘মা এট্টা ছাগলের ডাক শুনলে?’ তাহেরার চোখ চিকমিক করে ওঠে।
‘কই?’ সায়রার বুক ধকধক করে।
‘ইট্টু খিয়াল করো, ওই যে আবার ডাকালো, এ মা আমাগেরই তো পাটির ডাক মনে হচ্চে।’
‘কোনদিকতে আসছেরে মনি ডাকটা?’ সায়রার সারাদিনের অবসন্নতা যেন নিমেষেই দূর হয়ে যায়। বুকের ধুকপুকানি আরও বাড়ে।
‘মাঠের ওই পারে নতুন বাড়িডার কাচতে মনে হয়, চলো দিনি।’
ঘাসের ভেতর পা ডুবিয়ে ভাদরের পুরনো কাদা মাড়িয়ে ছাগলদুটোর শ্র“তিমধুর ডাক শুনে শুনে এগিয়ে যেতে যেতে সায়রা বলে, ‘দুপোর বেলায়ই তো এদিক দিয়ে গেলাম, কই তখন তো ডাকটাক কিছু শুনলাম না।’ তার মনে হয় মুহূর্তেই কিভাবে ছুটে যাবে ওদের কাছে। ভাদুরে মাঠের পুরনো কাদা আর বড় বড় ঘাস মাড়িয়ে মেয়ের হাত ধরে এগিয়ে যেতে যেতে প্রাণভরে সে পাটিদুটোর ডাক শোনে। তাহেরা বলে ওঠে, ‘মা, আমার মনে হয় আমাগের গলা শুনে ওরা বুছতি পেরেছে, তাই ডাকচে।’ সায়রা মনে মনে কথাটায় সায় দেয় এবং বলে, ‘আহা সুনারা আমার, সারাদিন মনে হয় দানাপানি পেটে পড়িনি।’
মাঠ পেরিয়ে পৌরসভার পাকা রাস্তা থেকে হাত পঞ্চাশেক দূরে একটা নতুন একতলা বাড়ি করছে কারা যেন। ছাদ তোলা হলেও জানালা-দরজা কিছু হয়নি। সায়রা প্রায় নিশ্চিত হয় ডাকটা ওর ভিতর থেকেই আসছে এবং ওদুটো অবলা প্রাণীর মালিক সে-ই। এর মধ্যে মসজিদ থেকে মাগরিবের আজান শোনা গেলে পশুদুটোর আর্তনাদ আরও বেড়ে যায়। ঘরের ভেতর ঢুকে প্রস্রাবের তীব্র গন্ধ পায় ওরা, বোধ হয় শুকনো মলও আছে এদিকে। বাড়ির মালিক না আসায় গত তিনচার মাসে এখানে ফেন্সিডিল- হেরোইনখোরদের আস্তানা হয়েছে। ওরাই আবার সরকারি দলের ভাড়াটে চেলা বলে কেউ কিছু বলতে আসে না। ছোটছোট শেয়ালকাঁটা আর ঘাস গজিয়ে ওঠা ঘরের ভেতর আবছা আলোয় সায়রা কিছু কাঁেচর বোতল, সিগারেটের পাছা, আর ঘন ঘোলাটে তরলভর্তি ব্যবহৃত কনডম দেখতে পায়। ‘দেখ মা দুডো বেলুন’ বলে তাহেরা ব্যবহৃত গোলাপি রঙের কনডমদুটো বিশেষ উৎসাহে খুটে তুলতে যায়। সায়রা ওর হাত টেনে ধরে, ‘ছি ওতা ধরতি হয় না।’ এমনিতেই খালি পেট, ভেতর থেকে ওয়াক আসে সায়রার। ‘ক্যান মা?’ ‘কলাম ধত্তি হয় না। আগে তুই চল ছাগল কনে আছে তাই দেখি।’ সাবধানে পা ফেলে এগিয়ে গিয়ে দ্বিতীয় ঘরটাতে তারা গাছের ডালের ভেতর থেকে কালো পশুদুটোর অস্থিরতা দেখতে পায়, সায়রাকে দেখে ধরনটা বদলে ওরা হ্রস্ব স্বরে আরও ঘন ঘন ডাকতে থাকে। ঘরের অর্ধেকটা জায়গা গাছের কাচা ডালপাতায় ভর্তি। জানালার ফাঁকা জায়গাগুলোতে এমপির জনসভায় ও মিছিলে ব্যবহৃত একটি হলুদ অন্যটি শাদা রঙের পরিত্যক্ত ব্যানার টাঙানো। তাতে একজন দেশবরেণ্য নেতার উল্টো হয়ে থাকা ছবিও শোভা পাচ্ছে। বিষয়টা তাহেরার চোখও এড়ায় না। সে বলে, ‘মা এখেনে মনে হয় পাটির মস্তানরা থাকে, ওই দেখ ওই কাপুড়ি এট্টায় কি বিরাট জনসভা আর এট্টায় দুর্নীতিমুক্ত বাংলাদেশ লেখা, তুই তো আবার কিছুই পড়তি পারিস নে।’ সায়রা খেপে গিয়ে বলে, ‘আমার ওসব পড়ার দরকার নেই, ওই হাভাতেরাই তো শেষ করল দেশটা।’ তার বুঝতে বাকি থাকে না যারা চুরি করেছে ছাগলদুটোকে শান্ত রাখবার জন্য তারা টাটকা পাতাসহ এতগুলো ডাল রেখে গিয়েছে, এজন্যই দুপুরবেলা এপথে গেলেও সায়রা আর তাহেরা কোন আওয়াজ পায় নি। ভাগ্যিস তাহেরা এখন টের পেয়েছিল, না-হলে কি আর কাল সকাল পর্যন্ত ওদের এখানে পাওয়া যেত, শয়তানগুলো নিশ্চয়ই খদ্দেরের সন্ধানে আছে, আর একটু অন্ধকার হলেই পাচার করে দিত।
দুটো ডাল সরিয়ে সায়রা দড়ির বাঁধন থেকে ওদের মুক্ত করে। হাতে দুটো-তিনটে কাঁটা ফুটে যাওয়ায় বুঝতে পারে দ্বিতীয় ডালটা ছিল বরই গাছের। তাহেরার বাপ রাজমিস্ত্রির যোগালের কাজ করতে সকালেই বেরিয়ে যায়, সায়রা ভাবে সে কিছু জানার আগেই ছাগলদুটো খুঁজে পাওয়া গেল, বহুত শুকরিয়া আল্লাহ। না হলে ছাগল তো যেতই, সাথে জুটত স্বামীর হাতের লাঠিপেটা। অথচ ছাগলের মালিক কেবল সায়রাই।
রাতে ঘুমতে যাওয়ার আগে সায়রা কেরোসিনের কুপি নিয়ে টিনের চালের নিচে বারান্দায় বাঁশের মাঁচার তলায় ছাগলজোড়া একবার দেখতে যায়। ওরা বোধহয় হারিয়ে গিয়ে ভয় পেয়েছে। এখনও কেমন ভ্যা ভ্যা করে ডাকছে। যেন কোন কিছু নালিশ করতে চাইছে ওদের মালিকের কাছে। সায়রা একটু ভাল করেই খেয়াল করে ওদের। সে-সময় সে দেখতে পায় দুটো পাটিরই যোনীদ্বারের কাছটা রঙ বদলানো আর ফোলা ফোলা। সন্ধ্যায় ঘরে আনার সময় সায়রার চোখে পড়েনি। তার মনে আসে ওই বাড়িতে সে কি কি পড়ে থাকতে দেখেছিল। বিষয়ের রহস্য উদঘাটন করে সায়রা প্রবল ঘৃণায় কেবল অস্ফুট গলায় বলে, ‘হায়রে আল্লার দুনিয়া হায়রে পুরুষ মানুষ!’ ওরা পাটি দুটোর ওপর কেবল যে মাংস-চর্মের বিশেষ অঙ্গ প্রয়োগ করেছে তা-ই নয়, হয়তো লাঠিকাঠি ঢুকিয়ে অবলা অঙ্গের গভীরতা পরীক্ষা করেছে, এজন্যই কালচে প্রত্যঙ্গের বাইরের দিকটাও কেমন লাল হয়ে আছে। অবলা জীবদুটোকে আটকে রাখতে পারলে এমন পরীক্ষা কি আরও চালিয়ে যেত ওই আদমসন্তানেরা, ভাবে সায়রা। কালো রঙের দুটি পশুর যোনীতে ক্ষতচিহ্ন দেখে নারী হওয়ায় এপর্যন্ত সায়রা যে-টুকু যতবার পুরুষের অনাকাক্সিক্ষত স্পর্শের শিকার হয়েছে তার কিছু স্মৃতিচিত্র কেন যেন দ্রুত খেলে যায় তার মাথার ভেতর।
সায়রার আরও মনে পড়ে তার বাপের বাড়ির গ্রামে একজনের নাম ছিল ‘ছাগল-ঠাপানো’ ইউসুফ। পরে সরকারি দলে যোগ দিয়ে টাকা ছড়িয়ে আর আন্ডারগ্রাউন্ড পার্টি কাজে লাগিয়ে ইউসুফ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হয়েছিল। এখন সায়রার কাছে ইউসুফের ও-রকম নামকরণের কারণ আরও স্পষ্ট হয় সে আখ বা পাটক্ষেতে সুযোগ পেলেই ছাগলের ভেতর নিজের অঙ্গ পরিচালনা করতে। এভাবে দুবার নাকি ধরাও পড়েছিল সে। শালিসে ঠিক হয় সে মসজিদে গিয়ে তওবা করবে আর মসজিদ ফাণ্ডে ৫০০০টাকা দান করবে। এখনকার ছেলেপেলে অবশ্য ইউসুফের সে নাম বা কীর্তি জানে না। সদরে বড় রাস্তার ধারে ধবধবে শাদা চার তলা বাড়ির মালিক সেই উইসুফের নাম এখন হয়েছে ডবল হাজী চেয়ারম্যা- উইসুফ এর মধ্যে দু-দুবার মক্কাশরিফ ঘুরে এসেছে। ইউসুফের কাছে হয়তো সরাসরি না শিখলেও এই প্রজন্মের ছেলেরা কিভাবে কাজটা বুঝে নিল ভেবে অবাক হয় সায়রা। সে আরও ভাবে- কেবল তাহেরাকে নয়, এখন থেকে পাটি দুটোকেও সামলে রাখতে হবে। বালিকা বয়সে কার কাছে যেন সায়রা শুনেছিল কোন এক গ্রামে ছাগলের পেটে মানুষের চেহাররা বাচ্চা হয়েছিল। সে আগে বুঝলে দেখতে যেত সেই গ্রামে। তবে সে মনে মনে কল্পনা করতে পারে মানুষের হাতপা আর ছাগলের মুখের একটা সদ্যোজাত শিশুর চেহারা।
পাটকাঠির বেড়ার ওপারে তাহেরা তার সাড়ে পাঁচ বছরের ভাইটিকে কোলের ভেতর নিয়ে ঘুমিয়ে পড়েছে নিশ্চিত হলে বিড়ির শেষাংশে একটা লম্বা টান দিয়ে ছুঁড়ে ফেলে মকবুল। তারপর ঘুমন্তপ্রায় সায়রার কাঁধের কাছটা ধরে ওকে নিজের দিকে ঘুরিয়ে নিতে গিয়ে টের পায় আজ বউ শরীরটা আড়ষ্ট করে রেখেছে, এ আড়ষ্টতা কেবল ঘুমের নয়।
অর্ধঘুমে সায়রা কোত্থেকে যেন তীব্র কামকাতর আদিম এক পাঠার গন্ধ পাচ্ছিল, পাঠাটা তার কাঁধে নাক ঘষছিল। কিংবা ঘুমটা হয়তো সত্যিই গভীর ছিল- ঘুমের ভেতর সে দেখতে পাচ্ছিল যেন কোন অচেনা কালে এক রৌদ্রজ্জ্বল হ্রদের ধারে কতকগুলো উন্মত্ত বুনো প্রবল রোমশ পুরুষ ছাগল এগিয়ে আসছে সদ্যস্নাত কতিপয় নগ্ন নারীর দিকে।
বাংলাদেশের সমাজ, রাজনীতি আর পুরুষের মনস্তত্ত্বের কদর্য দিক জানতে চাইলে গল্পটি আপনার পড়তেই হবে।

মন্তব্য করুন